GOOD NEWS HEADLINE

Slider

Search This Blog

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Job: News Headline everyday1

alampur

 

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

জিপিএ ৪ এর গ্রেডিং বিন্যাস চূড়ান্ত-jsc-20

পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার করা হচ্ছে। পুরোনো পদ্ধতির জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে নির্ধারণ করা হয়েছে জিপিএ-৪। এ মাসেই নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে প্রজ্ঞাপন জারির কথা রয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। চূড়ান্ত গ্রেডবিন্যাসে দেখা যায়, ৯০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের লেটার গ্রেড ‘এ প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট হবে ৪, যা সর্বোচ্চ ফল। এরপর ৮০ থেকে ৮৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘এ’ ও গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫, ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট ৩, ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘বি’ ও গ্রেড পয়েন্ট ২.৫, ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট ২, ৪০ থেকে ৪৯ প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘সি’ ও গ্রেড পয়েন্ট ১.৫, ৩৩ থেকে ৩৯ প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘ডি’ ও গ্রেড পয়েন্ট হবে ১ এবং শূন্য থেকে ৩২ প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘এফ’ ও গ্রেড পয়েন্ট হবে শূন্য। গত বছর ৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রেড পরিবর্তন-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সেখানে শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন স্তরের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন গ্রেড পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। চলতি বছর (২০২০ শিক্ষাবর্ষ) থেকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হতে পারে। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৪ কার্যকর করা হতে পরে। বর্তমানে দেশে পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫-এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফল প্রকাশ করা হয় সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশে সব ধরনের ফলাফলই প্রকাশ করা হয় জিপিএ ৪-এ। ফলে এসএসসি আর এইচএসসির ফলাফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলাফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারাই সমস্যায় পড়েন। আবার বিদেশে পড়ালেখা করতে গিয়েও সমস্যায় পড়েন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। তাই সব দিক বিবেচনা করে সব ধরনের ফলাফল জিপিএ ৪-এ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গ্রেডিং চূড়ান্ত করলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায়ও একই গ্রেডিংয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয় ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘এ প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট ৫। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড।

বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা/২০

বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা খুজে বের করতে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা। সারাদেশের সব সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিম্নমাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ১২ জন জাতীয় মেধাবীদের স্বীকৃতি দেয়া হবে। একই সাথে এসব শিক্ষার্থীকে এককালীন বিশেষ বৃত্তি দেয়া হবে। আর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে আগামী ১০ মার্চ থেকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এ প্রতিযোগিতা শুরু হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১০ মার্চ থেকে ১২ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চলবে। এরপর ১৮ থেকে ১৯ মার্চ উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২৩ থেকে ২৪ মার্চ জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আর ২৯ মার্চ ঢাকা মহানগী পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আর আগামী ৩০ মার্চ বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নিয়ে আগামী ২৩ এপ্রিল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এভাবেই ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানিয়েছে সূত্র। জানা গেছে, চারটি বিষয়ে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়গুলো হল, ভাষা ও সাহিত্য, দৈনন্দিন বিজ্ঞান, গণিত কম্পিউটার এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তিনটি শ্রেণিতে ভাগ হয়ে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদে একটি ও একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি মোট তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করবেন। প্রতিযোগিতায় প্রতিটি বিষয়ে প্রতিগ্রুপের একজন করে মোট ১২জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে জাতীয় পর্যায়ের পুরষ্কার দেয়া হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ (২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ) উদযাপিত হবে সারাদেশে। মুজিববর্ষে উদযাপনে নেয়া হয়েছে জাতীয় কর্মসূচি। একই সাথে বছর জুড়ে ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সাথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সংগতি রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষ উদযাপন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের। বছরব্যাপী নানা কর্মসূচিও মনিটরিং করতে জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক উপপরিচালকদের বলেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। বিষয়টি নিশ্চিত করে মন্ত্রণালয় সূত্র , গত ১৯ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে উদযাপনের জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গত রেখে ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরব্যাপী জন্মশত বার্ষিকী পালন করবে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানানো হয়। অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে উদযাপনের জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গত রেখে ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় নিয়মিতভাবে মনিটরিং করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।

উপবৃত্তি ছাড়াও ৫০০ টাকা পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

পি,এস,সি ও জে,এস,সি ফলাফল যাচাই করনঃ



প্রাথমিক পরিক্ষার ফলাফল যাচাই করবেন যেভাবেঃ
২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফল আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হবে ফল পেয়ে যারা অসন্তুষ্ট তাদের জন্য পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে
আবেদন
শুধু টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে আবেদন করা যাবে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPRSC লিখে স্পেস দিয়ে স্টুডেন্ট আইডি লিখে স্পেস দিয়ে স্পেস বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে
ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেয়া হবে পিন কোড নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে 
আবেদনে সম্মত থাকলে আবারও মেসেজ অপশনে গিয়ে DPRSC লিখে স্পেস Yes লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর দিয়ে স্পেস মোবাইল নম্বর (যে কোনো অপারেটর) লিখে আবার ১৬২২২ তে পাঠাতে হবে প্রতি বিষয়ের জন্য ১৮০ টাকা চার্জ ধরা হয়েছে একটি এসএমএস দিয়ে একাধিক বিষয়ে আবেদন করা যাবে সেক্ষেত্রে বিষয় কোডের পর কমা (,) ব্যবহার করতে হবে 
এছাড়া এসএমএসের মাধ্যমে  প্রাথমিক ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল জানা যাবে যে কোন মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে  প্রাথমিক সমপনীর ফল জানতে DPE আর ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল জানতে EBT লিখতে হবে এরপর স্পেস দিয়ে পরীক্ষার্থীর নিজ উপজেলা বা থানার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে
জে , এস, সি পরিক্ষার ফলাফল যাচাই করবেন যেভাবেঃ
জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং প্রাথমিক ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হবে ফল পেয়ে যারা অসন্তুষ্ট তাদের জন্য পুনঃনিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে জানুয়ারি থেকে জানুয়ারির মধ্যে খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে
 আবেদন
শুধু টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে আবেদন করা যাবে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে
যেমন- ঢাকা বোর্ডের জন্য- RSC লিখে Dha লিখতে হবে এরপর রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে  বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে জেডিসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের জন্য RSC লিখে Mad লিখতে হবে এরপর রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে  বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেয়া হবে পিন কোড নম্বরটি সংগ্রহ করতে হবে 
আবেদনে সম্মত থাকলে আবারও মেসেজ অপশনে গিয়ে RSC লিখে স্পেস Yes লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর দিয়ে স্পেস মোবাইল নম্বর (যে কোনো অপারেটর) লিখে আবার ১৬২২২ তে পাঠাতে হবে প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা চার্জ ধরা হয়েছে 
একটি এসএমএস দিয়ে একাধিক বিষয়ে আবেদন করা যাবে সেক্ষেত্রে বিষয় কোডের পর কমা (,) ব্যবহার করতে হবে যেমন- RSC স্পেস দিয়ে Dha স্পেস দিয়ে Roll স্পেস একাধিক বিষয় কোডের ক্ষেত্রে কমা দিয়ে লিখতে হবে তবে যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (বাংলা ইংরেজি) রয়েছে সেসব বিষয়ে একটি বিষয় কোড বাংলার জন্য (১০১) ইংরেজির জন্য (১০৭) এর বিপরীতে দুটি পত্রের জন্য আবেদন গণ্য হবে এবং আবেদন ফি হবে ২৫০ টাকা