GOOD NEWS HEADLINE

Slider

Search This Blog

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Job: News Headline everyday1

alampur

 

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

মাদ্রাসার শিক্ষকদের ভাগ্য এবার প্রসন্ন

মাদ্রাসার শিক্ষকদের ভাগ্য এবার প্রসন্ন
চলতি বছরেই মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল দেয়া সম্ভব
নতুন এমপিও নীতিমালার আলোকে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরেই মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর স্কেল দেয়া সম্ভব বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদানে বাজেট বরাদ্দের হিসেব চেয়ে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠির জবাবে তথ্য জানিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সম্প্রতি সংক্রান্ত চিঠি অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ের কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয় মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে তথ্য নিশ্চিত করেছে
  ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জুলাই জারি করা হয় মাদরাসার নতুন এমপিও নীতিমালা জনবল কাঠামো নতুন নীতিমালায় মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন সুবিধা উচ্চতর স্কেল দেয়ার সুযোগ রয়েছে নতুন নীতিমালার আলোকে শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে গত ১১ জুন কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগকে চিঠি পাঠিয়েছিল মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২২ আগস্ট অধিদপ্তরকে সে চিঠির জবাব পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ 
সূত্র জানায়, অধিদপ্তরে পাঠানো চিঠিতে মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদানের বাজেট বরাদ্দ আছে কিনা এবং থাকলেও তা কত টাকা তা জানতে চায় কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ তাই, গত  ১৬ সেপ্টেম্বর মাদরাসার শিক্ষক কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ে বাজেট বরাদ্দের হিসেব পাঠিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর
    মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি মাদরাসাসমূহের মঞ্জুরি খাতে বেতন ভাতা সহায়তা বাবদ বরাদ্দ আছে হাজার ৯৪৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদানের জন্য পৃথকভাবে কোনো বরাদ্দ নেই তবে নতুন নীতিমালার আলোকে শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড দিতে যে পরিমাণ টাকার দরকার হবে চলতি বছরের বাজেট থেকে সংস্থান করা সম্ভব এজন্য যদি অতিরিক্ত টাকা প্রয়োজন হয়, তবে সংশোধিত বাজেটের সময় অর্থ বিভাগে চাহিদা দিয়ে সে টাকা সংস্থান করা সম্ভব
     ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা 

বে-সরকারী শিক্ষকদের এম,পি,ও-সেপ্টে/১৯ এ যা হচ্ছে

বে-সরকারী শিক্ষকদের এম,পি,ও-সেপ্টে/১৯ এ যা হচ্ছে
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এ মাসের এমপিও কমিটির সভা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। পদাধিকার বলে সভায় সভাপতিত্ব করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য সভায় এমপিওর আওতাভুক্ত শূন্যপদে কর্মরত ইনডেক্সবিহীন শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি, ইনডেক্সধারী প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধানদের অভিজ্ঞতার উচ্চতর স্কেল, সহকারী অধ্যাপক পদের স্কেল, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড, বিএড বা কামিল স্কেল, সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদের এমপিওসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

Video song

good

শ্রোতা ও ওয়াজিনের ভণ্ডামি

ওয়াজিনদের ভন্ডামিঃ বর্তমান যে ভাবে ইসলামকে নিয়ে ওয়াজিনরা ভন্ডামি করছে  তার শাস্তি মহান আল্লাহ তালা অবশ্যই তাদের দিবেন।

স্কুল-কলেজে অনির্বাচিত কমিটির বিধি বাতিল চেয়ে রিট

স্কুল-কলেজে অনির্বাচিত কমিটির বিধি বাতিল চেয়ে রিটসারাদেশের সব স্কুল-কলেজের অনির্বাচিত বিশেষ কমিটির ধারা এবং আইনের তফসিল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের রেগুলেশন ৫১ এবং তিফসিল-২ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত স্কুল-কলেজের অনির্বাচিত বিশেষ কমিটি গঠন স্থগিত চাওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে, আদেশ দেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানিজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটের বিবাদীরা হলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা প্রশাসসহ ১১ জন। জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মঙ্গলবার দুপুরে এই রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। তিনি জানান, এর আগে ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দের শিক্ষা অধ্যাদেশের ৩৯ (২) (vi) অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডকে ক্ষমতা দেয়া হয়, শুধু নির্বাচিত গভর্নিং বডি (কলেজে) এবং নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটি (স্কুলে) গঠন করবে। কিন্তু শিক্ষা বোর্ড ওই আইন লঙ্ঘন করে, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের রেগুলেশন ৫১ এবং তফসিল-২ প্রণয়ন করে। এখন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই অনির্বাচিত বিশেষ কমিটি রয়েছে, যা ওই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনায় আইনের শাসন অনুচ্ছেদ ১১ সব ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে হবে। অনুচ্ছেদ ৩১ আইন ছাড়া কিছু করা যাবে না, কিন্তু ওই রেগুলেশন ৫১ ও তফসিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইনজীবী আরও জানান, একই ধরনের বিশিষ কমিটি ধারা ৫১ ইতোপূর্বে একই গ্রাইন্ডে হাইকোর্ট বাতিল করে, যা পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও বহাল রাখেন। ‘তারপরও এর মধ্যে অনির্বাচিত বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডিন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্যামপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লালবাগ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রূপনগর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে।’ ‘তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত স্কুল কলেজের অনির্বাচিত বিশেষ কমিটির বিষয়ে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের রেগুলেশন ৫১ এবং তিফসিল-২ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে’, যোগ করেন তিনি।

কোটা ভিত্তিক প্রেমের পত্র ( কোটা চাচাত ভাই-বোন)

কোটা ভিত্তিক প্রেমের পত্র ( কোটা চাচাত ভাই-বোন)
বিশ্বের এমন কোন দেশ নেই যেখানে প্রেম-ভালবাসার কাহিনী সম্বলিত কোন গল্প বা উপন্যাস কিম্বা সিনেমা অথবা বিনোদন সংষ্কৃতি নেই সেখানে প্রেম বা ভালবাসা নাই । আমরা আমাদের জীবনের অবসরে বিভিন্ন আড্ডায় ঐ সব কাহিনীর গল্প নিয়ে রঙ-তামানসা করে থাকি । আসলে বিশ্ব যেন প্রেম কাহিনীতে ভরপুর এবং প্রেমের পরিপূর্ণতার জন্যই এই বিশ্বে সৃষ্টি ও ধবংশ নির্ভর করছে । এই সব প্রেমের কাহিনীকে ও হার মানায় কোটা ভিত্তিক প্রেমের কাহিনী” নামক এক আজব গল্প । সারা বিশ্বে যখন বিভিন্ন কোটা( চাকুরী) নিয়ে বর্তৃতা, সভা ,সেমিনার,মিটিং ও মিছিল এমনকি শিশুদের স্কুলে ভর্তির কোটা শুরু হয়েছে ।সেখানে নাম না (গাপন) জানা ভালবাসার কোটার দাবীতে শুরু হয়েছে তা’দের মধ্যেও এব কাহিনী ।এদের মধ্যে প্রেমিক(কল্পনায়)-Mএবং পেৃমিকাR । যার অর্থ এমআর।এখানে এম আর কে মারিজ রেজিষ্টার ও বলা যায় । MএবংR তারা একে অপরের প্রতিবেশী । তারা দু’জনেই গ্রামের একটা উচু স্কুলে পড়াশোনা করে একটু একটু পরিচিত ভাব । R ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পেড়ে এবং M তার চেয়ে তিন ক্লাস উপরে পড়ে । প্রতিটি মানুষের জীবনে ভাল লাগা ও ভালবাসার বিষয়টি সক্রিয় ভাবে উপস্থিত থাকে । কেউ তা সঠিক সময়ে অনুধাবন করে সামনের দিকে চলতে থাকে আবার কেউ তা মনের অগোচরেই রেখে লালন করে থাকে এবং মনে কষ্ট অনুভব করে । এর ফলে M তার মনের অনুভূতি ব্যক্ত করার জন্য বিভিন্ন সিনেমার নায়কের ন্যয় R তে পাওয়ার জন্য বা তার ভালবাসার জন্য স্ব-হস্তে লিখিত একটি পত্র নিজ পায়ে হেটে R এর হাতে স্ব-শরীরে দেয় । পত্রটি হাতে পেয়ে R কোন কথা না বলে, কোটা ভিত্তিক ভালবাসার কথা না চিন্তা করে সেখান থেকে চলে যায় নিজ বাড়ীতে। পরে R তার মনের অনুভূতি না প্রকাশ করে সে ও তার দেখা সিনেমার ভিলেনের মত মনে করে তার মনের মত কোটা বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহন করে । M কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রথমে তার মাকে পরে বাবাসহ প্রতিবেশী বন্ধু-বান্ধবদের উক্ত ঘটনাগুলো খুলে বলে । কারন সে তার চাচাত ভাইয়ের কোটা দাবী প্রত্যাখান করেছে । এদিকে M তার R এর উত্তরে অপেক্ষায় অপেক্ষা করতে থাকে । অবশেষে R এর বাবার- বয়স ভিত্তিক না বোধক উত্তর শুনে M এর  মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মত উপক্রম হয়েছিল । কারন তার আশা ছিল R এর মুখ হতে কোটা ভিত্তিক ভালবাসার উত্তর শোনা । M এর দাবী ছিল চাচাত বোন R এর উপর । কেননা বাবার কোটা চাচা এবং চাচাত ভাইয়ের কোটা চাচাত বোন । Mও R এর মত চাকুরী কোটায় সরকার ও ছাত্র-শিক্ষকদের দাবী কতটা যুক্তিপূর্ণ তা বিবেচ্য বিষয় । Mও R এর কোটা ভিত্তিক ভালবাসার দাবী কতটা যুক্তিপূর্ণ তার বিচার আপনাদের উপর এবং Mও R এর কোটা ভিত্তিক ভালবাসা কি করলে সফল হত বলে মনে কর ।