GOOD NEWS HEADLINE

Slider

Search This Blog

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Job: News Headline everyday1

alampur

 

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

পাঠদানের অনুমতি নিয়ে ছাত্র/ছাত্রী রেজিঃ

পাঠদানের অনুমতির মাধ্যমে ছাত্র রেজিঃপাঠদানের অনুমতি ছাড়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নয়
পাঠদানের অনুমতি বা একাডেমিক স্বীকৃতি ছাড়া কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জেএসসি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন কেরতে পারবে না বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। কেবলমাত্র শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠদানের অনুমতি স্বীকৃতি পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৮ম ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। ঢাকা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৮ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী এবং এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বোর্ডের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম অবশ্যই শেষ করতে হবে। কেবলমাত্র শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠদানের অনুমতি স্বীকৃতি পাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোচিং সেন্টার বা বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান-যাদের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি নেই, এমন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কোন অবস্থাতে বোর্ডে আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেনা। আর স্বীকৃতি বা পাঠদানের অনুমতি পাওয়া কোন নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে পরবে না। আদেশ অমান্য করা হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়প্রাথমিকভাবে ১০০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। পরবর্তীতে শ্রেণি শাখা খোলার অনুমতি থাকলে প্রতি শাখার জন্য আরও ৫০ জন করে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এক্ষেত্রে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করার সময় শ্রেণি শাখা খোলার অনুমতিপত্র সাবমিট করতে হবে। বোর্ড যেসব প্রতিষ্ঠানকে শাখা কিংবা বিষয় বা বিভাগ খোলার অনুমতি দিয়েছে শুধুমাত্র সেসব শাখা কিংবা বিষয় বা বিভাগে শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। বোর্ডের অনুমতিপ্রাপ্ত শাখা কিংবা বিষয় বা বিভাগ ছাড়া অন্য কোন শাখা বিষয় বা বিভাগে শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করার ফলে কোন জটিলতা সৃষ্টি হলে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোন শিক্ষার্থীর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বোর্ডের অনুমতি ব্যতিত ছাড়পত্র দিতে পারবেনা। মার্চ হতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব ছাড়পত্রের আবেদন অনলাইনে করতে হবে। ১০ম শ্রেণিতে নির্বাচনী পরীক্ষার পর কোন অবস্থাতে ছাড়পত্র দেয়া হবে না।

চালু হবে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু

চালু হবে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু:

চালু হবে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক স্তর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু হতে যাচ্ছে। স্তরে চার বছরের বেশি বয়সের শিশুদের ভর্তি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং হিসেবে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় হাজারের মতো বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু হবে বলে প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।
Description: C:\Users\RJ RUHUL AMIN\Desktop\New folder\habi.jpgমন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, শিশুদের মেধা-মনন বিকাশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্তরে চার বা পাঁচ বছরের কম শিশুদের ভর্তি নেয়া হবে। সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে প্রথম পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় মোট হাজার বিদ্যালয়ে এটি চালু করা হবে। দুই বছর মেয়াদি হবে এই কোর্স। প্রাক-প্রাথমিক পাসের পর প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে।
জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক স্তরের জন্য শিশুদের বিকাশের আলোকে কারিকুলাম, শিক্ষক নিয়োগ, টিচিং মেটারিয়াল অবকাঠামো তৈরি করা হবে। বর্তমানে দেশের কয়েকটি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও স্তরের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। জন্য নতুন করে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকের পদ সৃজন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে সারা দেশে ২৬ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। দ্রুত পদ সৃজনের প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন  বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু করা হবে। প্রাক-প্রাথমিক স্তর চালু করতে আমরা একটি প্রস্তাব তৈরি করেছি। সেটি চলতি মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পাইলটিং হিসেবে দেশের হাজার বিদ্যালয়ে এটি চালু করা হবে। যেসব বিদ্যালয়ে অনুকূল অবকাঠামো রয়েছে সেখানে এটি চালু করা হবে। জন্য দেশের সকল বিদ্যালয়ের দুজন করে শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। পাইলটিং শেষে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তর খোলা হবে।
সচিব আরও বলেন, প্রাক-প্রাথমিক স্তরের জন্য সারা দেশে ২৬ হাজারের বেশি শিক্ষকের পদ সৃজন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কার্যক্রম সম্পন্ন হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তার আগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ক্লাস নেবেন।

জিপিএ ৪ এর গ্রেডিং বিন্যাস চূড়ান্ত-jsc-20

পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার করা হচ্ছে। পুরোনো পদ্ধতির জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে নির্ধারণ করা হয়েছে জিপিএ-৪। এ মাসেই নতুন গ্রেডিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে প্রজ্ঞাপন জারির কথা রয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। চূড়ান্ত গ্রেডবিন্যাসে দেখা যায়, ৯০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের লেটার গ্রেড ‘এ প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট হবে ৪, যা সর্বোচ্চ ফল। এরপর ৮০ থেকে ৮৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘এ’ ও গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫, ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট ৩, ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘বি’ ও গ্রেড পয়েন্ট ২.৫, ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট ২, ৪০ থেকে ৪৯ প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘সি’ ও গ্রেড পয়েন্ট ১.৫, ৩৩ থেকে ৩৯ প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘ডি’ ও গ্রেড পয়েন্ট হবে ১ এবং শূন্য থেকে ৩২ প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘এফ’ ও গ্রেড পয়েন্ট হবে শূন্য। গত বছর ৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রেড পরিবর্তন-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সেখানে শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন স্তরের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন গ্রেড পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়েছে। চলতি বছর (২০২০ শিক্ষাবর্ষ) থেকে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হতে পারে। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৪ কার্যকর করা হতে পরে। বর্তমানে দেশে পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ ৫-এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফল প্রকাশ করা হয় সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশে সব ধরনের ফলাফলই প্রকাশ করা হয় জিপিএ ৪-এ। ফলে এসএসসি আর এইচএসসির ফলাফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলাফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারাই সমস্যায় পড়েন। আবার বিদেশে পড়ালেখা করতে গিয়েও সমস্যায় পড়েন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা। তাই সব দিক বিবেচনা করে সব ধরনের ফলাফল জিপিএ ৪-এ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গ্রেডিং চূড়ান্ত করলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায়ও একই গ্রেডিংয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয় ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের লেটার গ্রেড ‘এ প্লাস’ ও গ্রেড পয়েন্ট ৫। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড।

বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা/২০

বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা খুজে বের করতে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা। সারাদেশের সব সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিম্নমাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ১২ জন জাতীয় মেধাবীদের স্বীকৃতি দেয়া হবে। একই সাথে এসব শিক্ষার্থীকে এককালীন বিশেষ বৃত্তি দেয়া হবে। আর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে আগামী ১০ মার্চ থেকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এ প্রতিযোগিতা শুরু হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ১০ মার্চ থেকে ১২ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চলবে। এরপর ১৮ থেকে ১৯ মার্চ উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২৩ থেকে ২৪ মার্চ জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আর ২৯ মার্চ ঢাকা মহানগী পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আর আগামী ৩০ মার্চ বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নিয়ে আগামী ২৩ এপ্রিল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এভাবেই ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানিয়েছে সূত্র। জানা গেছে, চারটি বিষয়ে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়গুলো হল, ভাষা ও সাহিত্য, দৈনন্দিন বিজ্ঞান, গণিত কম্পিউটার এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ বিষয়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তিনটি শ্রেণিতে ভাগ হয়ে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদে একটি ও একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটি মোট তিনটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করবেন। প্রতিযোগিতায় প্রতিটি বিষয়ে প্রতিগ্রুপের একজন করে মোট ১২জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে জাতীয় পর্যায়ের পুরষ্কার দেয়া হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ (২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ) উদযাপিত হবে সারাদেশে। মুজিববর্ষে উদযাপনে নেয়া হয়েছে জাতীয় কর্মসূচি। একই সাথে বছর জুড়ে ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই সাথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সংগতি রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষ উদযাপন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের। বছরব্যাপী নানা কর্মসূচিও মনিটরিং করতে জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক উপপরিচালকদের বলেছে শিক্ষা অধিদপ্তর। বিষয়টি নিশ্চিত করে মন্ত্রণালয় সূত্র , গত ১৯ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে উদযাপনের জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গত রেখে ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরব্যাপী জন্মশত বার্ষিকী পালন করবে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানানো হয়। অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষে উদযাপনের জাতীয় কর্মসূচির সাথে সঙ্গত রেখে ইংরেজি মাধ্যমসহ সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় নিয়মিতভাবে মনিটরিং করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।