GOOD NEWS HEADLINE

Slider

Search This Blog

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Job: News Headline everyday1

alampur

 

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

১৫ তম নিবন্ধের ফল প্রকাশ খুব শ্রীঘ্রই


১৫ তম নিবন্ধের ফল প্রকাশ খুব শ্রীঘ্রই
১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল শিগগিরই প্রকাশ করা হবে ফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ করছেন কর্মকর্তারা তবে, চলতি সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা না গেলে আগামী সপ্তাহের শুরুতে তা প্রকাশ করা হবে আর নভেম্বর মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া শুরু করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) এনটিআরসিএ সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে তথ্য নিশ্চিত করেছে
এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, চলতি মাসেই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে ফল তৈরির কাজ চলছে ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা তিনি আরও জানান, নভেম্বর মাসে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া শুরু করার পরিকল্পনা করেছে এনটিআরসিএ
এদিকে এনটিআরসিএর অপর এক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানান, অক্টোবরের প্রথমভাগে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল কিন্তু লিখিত পরীক্ষার ফল তৈরিতে বিধি অনুসারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শূন্যপদের তথ্য চাওয়া হয় সে তথ্য গত বৃহস্পতিবার পাঠানোর কথা থাকলেও রোববার পর্যন্ত বেশ কয়েকটি জেলা শিক্ষা অফিস থেকে তা এনটিআরসিএতে পৌঁছায়নি জন্য নির্ধারিত পরিকল্পনা মাফিক ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না তবে, চলতি সপ্তাহেই ফল প্রকাশ করতে তোড়জোর কাজ করছেন কর্মকর্তারা   
প্রসঙ্গত, গত ২৬ ২৭ জুলাই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ দেড় লাখ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৯ মে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয় প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েছে লাখ ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী পাসের হার ছিল ২০ দশমিক ৫৩ ভাগ উত্তীর্ণদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ের ৫৫ হাজার ৫৯৬ জনস্কুল পর্যায়- এর হাজার ১২৯ জন এবং কলেজ পর্যায়ের ৯২ হাজার ২৭৫ জন প্রার্থী রয়েছেন প্রিলিমনারিতে লাখ ৭৬ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন

১৫ তম নিবন্ধের ফল প্রকাশ খুব শ্রীঘ্রই

কারিগরি শিক্ষকদের বেতন ছাড়/সেপ্টে/১৯

সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ পরিক্ষা ৬ অক্টবর

সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ পরিক্ষা ৬ অক্টোবর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ আগামী অক্টোবর (রোববার) ওই দিন থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার কথা ভাবা হচ্ছে ইতোমধ্যে সংক্রান্ত ফাইল নড়চড় শুরু হয়েছে প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী সচিব সম্মতি দিলে অক্টোবর থেকে জেলা পর্যায়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা আয়োজন করা হবে যা এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে মৌখিক পরীক্ষার পর নভেম্বরের প্রথম দিকে ফলাফল প্রকাশ করা হবে
প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) মো. বদরুল হাসান বাবুল সোমবার সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আগামী অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার কথা ভাবা হচ্ছে
তিনি আরও বলেন, অক্টোবর থেকে সকল জেলা পর্যায়ে চার সদস্যের কমিটির উপস্থিতিতে মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হবে এক সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা হবে এরপর নভেম্বরের প্রথম দিকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে
প্রাথমিক গণশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শুরুর নির্ধারণ করতে মন্ত্রণালয়ে ফাইল তোলা হয়েছে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সচিব আকরাম আল হোসেন ফাইল অনুমোদন দিলে অক্টোবর থেকে প্রতিটি জেলায় আলাদা আলাদা কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু করা হবে
জানা গেছে, মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২০ নম্বর নির্ধারণ থাকবে এতে একাডেমিক সনদের ওপর চার নম্বর, উপস্থিতির জন্য চার এবং চার কমিটির সদস্যদের কাছে ১২ নম্বর (প্রতিজনের কাছে তিন নম্বর) বরাদ্দ থাকবে
গত বছরের ৩০ জুলাইসহকারী শিক্ষকনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় পরে ওই বছরের থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ জন প্রার্থী আবেদন করেন প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়
চলতি মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন এবার মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে নির্বাচন করে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত করে ফল প্রকাশ করা হবে

৬ষ্ঠ শ্রেণির টিউশন ফিশ শুরু-২০২০

২০২০ ইং সাল হতে টিউশন ফিশ দিবে সরকার আগামী ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেবে সরকার। এসইডিপি প্রকল্পের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি শীর্ষক স্কিমের আওতায় শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেয়া হবে। আর একই স্কিমের আওতায় ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিয়ের সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এসইডিপি প্রকল্পের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি শীর্ষক স্কিমের আওতায় ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের শতভাগ টিউশন সুবিধা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি প্রদানের বিষয়টি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে।সূত্র আরও জানায়, ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি প্রদানের বিষয়টি বাস্তবায়নে আগামী মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এতে সভাপতিত্ব করবেন। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এদিন বিকেল তিনটায় এ সভা শুরু হবে। সভায় এসইডিপি প্রকল্পের অংশীজনদের সাথে এ বিষয়টি আলোচনা করা হবে। সভায় অর্থ বিভাগের সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ও কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, রাজধানীর বেশ কয়েকটি স্কুল কলেজের প্রধানসহ এসইডিপি প্রকল্পের অংশীজনরা উপস্থিত থাকবেন। এর আগে গত ২৩ মে আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এসইডিপি প্রকল্পের এক কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে মানসম্মত শিক্ষার বিষয়টি ছিল। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ষ্ঠ থেকে ১২শ শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর টিউশন ফি দেয়া হবে। এছাড়াও পাবলিক পরীক্ষার ফি প্রদান, বই কেনা, উপবৃত্তি ও টিউশন ফি এবং স্টকহোল্ডারদের প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টশন প্রদান করা হবে। প্রসঙ্গত, মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় পাঁচ বছর মেয়াদী (২০১৭-১৮ থেকে ২০২১-২২) ‘মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প’ এসইডিপি এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা। জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে এর ৯৫ ভাগ অর্থ দেবে সরকার। আর মাত্র ৫ শতাংশ আসবে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, ইউনিসেফ ও ইউনেস্কোসহ মোট ছয়টি সংস্থার কাছ থেকে।