GOOD NEWS HEADLINE

Slider

Search This Blog

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

Job: News Headline everyday1

alampur

 

Recent Tube

Business

Technology

Life & style

Games

Sports

Fashion

নতুন শিক্ষা আইন চালু কতটা বিবেচ্য-----

শিক্ষা বিষয়ক দেশের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক শিক্ষার প্রতিবেদনে দেখলাম খসড়া শিক্ষা আইন আবারো পরিমার্জন করতে যাচ্ছে সরকার। এর আগে ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হয়েছিল শিক্ষা আইনের খসড়া তৈরী। পরপর তিনবার মন্ত্রিপরিষদ থেকে থেকে ফিরে আসে পরিমার্জনের জন্য। সর্বশেষ ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে পাঠানো খসড়াটি ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ফেরত আসে পরিমার্জনের জন্য। আজ প্রায় নয় বছর ধরে চেষ্টা করে শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথমে যে খসড়া শিক্ষা আইন করা হয়েছিল তাতে দেখা যায়, ১১১টি ধারার মধ্যে ১৩টি ধারা মূলত আইন ছিল, বাকি ৯৮টি ধারা নীতিমালা ছিল। ১৩টি ধারা শুধু শিক্ষকদের শাসন করার জন্য ছিল। ৯৮টি ধারা আইন নয়,কারণ এগুলো ভঙ্গ করলে শাস্তি নেই। এখানে একটি কথা বলা প্রয়োজন, "আইন মানা বাধ্যতামূলক , না মানলে শাস্তি হবে" এটাই আইন। এই ভিত্তিতে শিক্ষা আইন করতে হবে। যে খসড়া আইন করা হয়েছিল তাতে শুধু শিক্ষকদের শাস্তির বিধান ছিল। সবাইকে মনে রাখা প্রয়োজন, শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত দেশের সকল মানুষ, শিক্ষা প্রশাসন থেকে শুরু করে সকল শ্রেণির মানুষ। তাই শিক্ষা আইন সকলের জন্য প্রযোজ্য,এইভাবে তৈরি করতে হবে। বর্তমানে দেশে নানারকম শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপদ্ধতি বিদ্যমান। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি মাদরাসা, কারিগরি, প্রোফেশনাল, প্রশিক্ষণসহ নানা ধরণের শিক্ষা বিদ্যমান রয়েছে । তাছাড়া এসকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নানাভাবে পরিচালিত। সরকারি,বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত,প্রাইভেট, এমপিওভুক্ত, ননএমপিও, অনুমোদিত,অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে ও নিয়মে পরিচালিত। এসব প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এসকল প্রতিষ্ঠানের জন্য একই আইন প্রযোজ্য হবে না। তাছাড়া শিক্ষা আইনের আওতায় সংশ্লিষ্ট সকলকে আনতে হবে। খসড়া শিক্ষা আইনের একটি ধারায় আছে, নির্দিষ্ট সংখ্যক জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমি বলছি, এটি আইন নয়। হ্যাঁ, এটি যদি আইন হয় তবে প্রতিষ্ঠা না করলে শাস্তি কী, কার শাস্তি হবে উল্লেখ থাকতে হবে। শিক্ষা আইনের খসড়া দেখে মনে হয় এটি বেসরকারি শিক্ষকদের শাস্তি দেওয়ার জন্য করা হয়েছে। আমি আবারো বলছি, শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করতে ও জবাবদিহির আওতায় আনতে শিক্ষা আইন করতে হবে। আমরা জানি, দেশের শতকরা ৯৭ ভাগেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে একটি অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। পরে ১৯৭৯, ১৯৮৯, ১৯৯৫, ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ঘোষিত নির্দেশিকা,নীতিমালা, জনবল কাঠামো, এমপিও নীতিমালা নামে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বিধিবিধান বিদ্যমান আছে।। তাছাড়া মাঝেমধ্যে পরিপত্র- প্রজ্ঞাপন জারি করে সাময়িক কাজ সম্পন্ন করা হয়।বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালতের রায় আইনে পরিণত হয়েছে। এসব রায় অনুসরণ করে শিক্ষামন্ত্রণালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করছেন। আবার বেসরকারি ও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব কিছু নিয়মকানুন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষা আইন প্রণয়ন বা পরিমার্জন করতে হলে উপরোল্লিখিত বিধিবিধান সমন্বয় করে সম্পন্ন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রচলিত ফৌজদারি আইনের সাথে সাংঘর্ষিক না হয় শিক্ষা আইন। দৈনিক শিক্ষার প্রতিবেদন মতে, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে সভা হওয়ার কথা। অনেক জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিরা থাকবেন সেখানে। ভালো কথা, এর আগেও জ্ঞানীগুণীরা ছিলেন; কিন্তু পারেননি। সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে। তবে আমার পরামর্শ হলো, ঐ কমিটিতে আইন বিশেষজ্ঞ ও মাঠ পর্যায়ে কাজ করা শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে শিক্ষা আইন দরকার। আর শিক্ষাআইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা এবং বিভিন্ন ধারার শিক্ষাপদ্ধতি একই ধারায় ফিরিয়ে আনা অর্থাৎ একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা। আমি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের কথা বলছি,মনে করুন, একজন সরকারি শিক্ষক বিধি বহির্ভূত কোনো কাজ করলে তাকে বদলী করা হয় আর বেসরকারি শিক্ষকের শাস্তি চাকরচ্যুতি, বদলীর ব্যবস্থা নেই বলে। জাতীয়করণে এ বৈষম্য দূর হবে। খসড়া শিক্ষা আইন মন্ত্রিপরিষদে পাঠানোর পূর্বে অভিজ্ঞদের মতামত বিশেষ করে শিক্ষকদের মতামত নেওয়া সমীচীন হবে বলে মনে করি। পরিশেষে বলতে চাই, শিক্ষা আইন হতে হবে আধুনিক শিক্ষার জন্য, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য, শিক্ষকের মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য, শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য। শিক্ষাবান্ধব শিক্ষাআইন কবে বাস্তবের মুখ দেখবে সেই প্রত্যাশায় আজকের মতো শেষ করছি। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর জন্য এই উদ্দ্যোগ শিক্ষামন্ত্রীর

মাদ্রাসার শিক্ষকদের ভাগ্য এবার প্রসন্ন

মাদ্রাসার শিক্ষকদের ভাগ্য এবার প্রসন্ন
চলতি বছরেই মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল দেয়া সম্ভব
নতুন এমপিও নীতিমালার আলোকে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরেই মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর স্কেল দেয়া সম্ভব বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদানে বাজেট বরাদ্দের হিসেব চেয়ে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠির জবাবে তথ্য জানিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সম্প্রতি সংক্রান্ত চিঠি অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ের কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয় মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে তথ্য নিশ্চিত করেছে
  ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জুলাই জারি করা হয় মাদরাসার নতুন এমপিও নীতিমালা জনবল কাঠামো নতুন নীতিমালায় মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন সুবিধা উচ্চতর স্কেল দেয়ার সুযোগ রয়েছে নতুন নীতিমালার আলোকে শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে গত ১১ জুন কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগকে চিঠি পাঠিয়েছিল মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২২ আগস্ট অধিদপ্তরকে সে চিঠির জবাব পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ 
সূত্র জানায়, অধিদপ্তরে পাঠানো চিঠিতে মাদরাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদানের বাজেট বরাদ্দ আছে কিনা এবং থাকলেও তা কত টাকা তা জানতে চায় কারিগরি মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ তাই, গত  ১৬ সেপ্টেম্বর মাদরাসার শিক্ষক কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ে বাজেট বরাদ্দের হিসেব পাঠিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর
    মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি মাদরাসাসমূহের মঞ্জুরি খাতে বেতন ভাতা সহায়তা বাবদ বরাদ্দ আছে হাজার ৯৪৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রদানের জন্য পৃথকভাবে কোনো বরাদ্দ নেই তবে নতুন নীতিমালার আলোকে শিক্ষক-কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড দিতে যে পরিমাণ টাকার দরকার হবে চলতি বছরের বাজেট থেকে সংস্থান করা সম্ভব এজন্য যদি অতিরিক্ত টাকা প্রয়োজন হয়, তবে সংশোধিত বাজেটের সময় অর্থ বিভাগে চাহিদা দিয়ে সে টাকা সংস্থান করা সম্ভব
     ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা 

বে-সরকারী শিক্ষকদের এম,পি,ও-সেপ্টে/১৯ এ যা হচ্ছে

বে-সরকারী শিক্ষকদের এম,পি,ও-সেপ্টে/১৯ এ যা হচ্ছে
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এ মাসের এমপিও কমিটির সভা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। পদাধিকার বলে সভায় সভাপতিত্ব করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য সভায় এমপিওর আওতাভুক্ত শূন্যপদে কর্মরত ইনডেক্সবিহীন শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি, ইনডেক্সধারী প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধানদের অভিজ্ঞতার উচ্চতর স্কেল, সহকারী অধ্যাপক পদের স্কেল, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড, বিএড বা কামিল স্কেল, সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদের এমপিওসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

Video song

good

শ্রোতা ও ওয়াজিনের ভণ্ডামি

ওয়াজিনদের ভন্ডামিঃ বর্তমান যে ভাবে ইসলামকে নিয়ে ওয়াজিনরা ভন্ডামি করছে  তার শাস্তি মহান আল্লাহ তালা অবশ্যই তাদের দিবেন।

স্কুল-কলেজে অনির্বাচিত কমিটির বিধি বাতিল চেয়ে রিট

স্কুল-কলেজে অনির্বাচিত কমিটির বিধি বাতিল চেয়ে রিটসারাদেশের সব স্কুল-কলেজের অনির্বাচিত বিশেষ কমিটির ধারা এবং আইনের তফসিল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের রেগুলেশন ৫১ এবং তিফসিল-২ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত স্কুল-কলেজের অনির্বাচিত বিশেষ কমিটি গঠন স্থগিত চাওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে, আদেশ দেয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ম্যানিজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটের বিবাদীরা হলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা প্রশাসসহ ১১ জন। জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় মঙ্গলবার দুপুরে এই রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। তিনি জানান, এর আগে ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দের শিক্ষা অধ্যাদেশের ৩৯ (২) (vi) অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডকে ক্ষমতা দেয়া হয়, শুধু নির্বাচিত গভর্নিং বডি (কলেজে) এবং নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটি (স্কুলে) গঠন করবে। কিন্তু শিক্ষা বোর্ড ওই আইন লঙ্ঘন করে, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের রেগুলেশন ৫১ এবং তফসিল-২ প্রণয়ন করে। এখন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই অনির্বাচিত বিশেষ কমিটি রয়েছে, যা ওই আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি জানান, সংবিধানের প্রস্তাবনায় আইনের শাসন অনুচ্ছেদ ১১ সব ক্ষেত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে হবে। অনুচ্ছেদ ৩১ আইন ছাড়া কিছু করা যাবে না, কিন্তু ওই রেগুলেশন ৫১ ও তফসিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইনজীবী আরও জানান, একই ধরনের বিশিষ কমিটি ধারা ৫১ ইতোপূর্বে একই গ্রাইন্ডে হাইকোর্ট বাতিল করে, যা পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও বহাল রাখেন। ‘তারপরও এর মধ্যে অনির্বাচিত বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডিন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্যামপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লালবাগ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রূপনগর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে।’ ‘তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত স্কুল কলেজের অনির্বাচিত বিশেষ কমিটির বিষয়ে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের রেগুলেশন ৫১ এবং তিফসিল-২ এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে রিটে’, যোগ করেন তিনি।